black eagle

Ictinaetus malaiensis
  • Home
  • black eagle Details
iconAbout black eagle

Black Eagle সম্পর্কে মৌলিক তথ্য

Black Eagle সম্পর্কে মৌলিক তথ্য

Scientific NameIctinaetus malaiensis
Status LC অসংকটাপন্ন
Size69-81 cm (27-32 inch)
Colors
Black
Brown
TypeBirds of Prey

স্থানীয় ভাষায় নাম

gujarati: શ્યામ ગરુડ
malayalam: കരിം പരുന്ത്
marathi: काळा गरुड
nepali: द्रोणक चील
tamil: கரும்பருந்து
telugu: అడవి నల్ల గద్ద

ভূমিকা

কালো ঈগল (Black Eagle), যার বৈজ্ঞানিক নাম Ictinaetus malayensis, ক্রান্তীয় এশিয়ার একটি রাজকীয় শিকারি পাখি। এটি মূলত তার বিশাল ডানা এবং বনের উপরিভাগে ধীর গতিতে উড়ে শিকার করার অনন্য দক্ষতার জন্য পরিচিত। বাংলাদেশে এদের মূলত সুন্দরবন এবং পার্বত্য বনাঞ্চলে দেখা যায়।

শারীরিক চেহারা

একটি পূর্ণবয়স্ক কালো ঈগল প্রায় ৬৯ থেকে ৮১ সেন্টিমিটার লম্বা হয় এবং এর ডানার বিস্তার ১৬৪ থেকে ১৭৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এদের পুরো শরীর কুচকুচে কালো রঙের, তবে ঠোঁটের গোড়া (cere) এবং পা উজ্জ্বল হলুদ। উড়ার সময় এদের ডানাগুলো ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো দেখায়। এদের লেজে হালকা ধূসর রঙের ডোরাকাটা দাগ থাকে এবং ডানার ডগা লেজের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছায়।

বাসস্থান

কালো ঈগল মূলত পাহাড়ি বন এবং উচ্চভূমির বনাঞ্চলে বসবাস করতে পছন্দ করে। তবে বাংলাদেশে এদের সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলেও দেখা যায়। এরা হিমালয়ের পাদদেশ থেকে শুরু করে ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন বনে বিস্তৃত।

খাদ্যাভ্যাস

এই ঈগলটি একটি দক্ষ শিকারি। এর খাদ্যতালিকায় রয়েছে:

  • ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন কাঠবিড়ালি এবং বাদুড়।
  • পাখির ডিম এবং ছানা।
  • ছোট বানর (যেমন বোনট ম্যাকাও)।
  • গুহার সুইফটলেট পাখি।
এরা বনের উপরিভাগ দিয়ে ধীরে ধীরে উড়ে পাখির বাসা খুঁজে বের করে এবং ডিম বা ছানাসহ আস্ত বাসা তুলে নিয়ে যায়।

প্রজনন এবং বাসা

কালো ঈগল গ্রীষ্মমন্ডলীয় এশিয়ায় প্রজনন করে। এদের প্রজনন প্রক্রিয়া সাধারণত বনের গহীনে উঁচু গাছের ডালে সম্পন্ন হয়। এরা বাসা তৈরির ক্ষেত্রে বেশ যত্নশীল এবং শিকার করার সময় অনেক সময় পুরো পাখির বাসাটিই তাদের শক্তিশালী নখর দিয়ে তুলে নিয়ে কোনো নিরাপদ স্থানে গিয়ে আহার করে।

আচরণ

কালো ঈগলের উড্ডয়ন শৈলী অত্যন্ত ধীর এবং ছন্দময়। এরা বনের ক্যানোপির ঠিক ওপর দিয়ে শিকারের সন্ধানে ভেসে বেড়ায়। এদের দেখে কাঠবিড়ালি, বানর এবং অন্যান্য পাখিরা ভয়ে সতর্ক সংকেত বা অ্যালার্ম কল দিতে শুরু করে। এদের লম্বা এবং কম বাঁকানো নখরগুলো পাখির বাসা থেকে ডিম সংগ্রহের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

সংরক্ষণ অবস্থা

আইইউসিএন (IUCN) এর লাল তালিকা অনুযায়ী কালো ঈগল বর্তমানে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (Least Concern) হিসেবে বিবেচিত। তবে বনভূমি ধ্বংস এবং আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ার কারণে এদের সংখ্যা ভবিষ্যতে হুমকির মুখে পড়তে পারে।

আকর্ষণীয় তথ্য

  1. কালো ঈগল এবং সোয়ালো-টেইলড কাইট একমাত্র পাখি যারা আস্ত পাখির বাসা ছানাসহ তুলে নিয়ে উড়ে যেতে পারে।
  2. এদের পা সম্পূর্ণ পালক দ্বারা আবৃত থাকে (Feathered tarsi)।
  3. এদের নখর অন্যান্য শিকারি পাখির তুলনায় কম বাঁকানো কিন্তু অনেক লম্বা।
  4. ভারতীয় বিশাল কাঠবিড়ালি (Indian Giant Squirrel) এদের অন্যতম প্রধান শিকার।

পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস

পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য কিছু পরামর্শ:

  • গরমের দিনে দুপুরের দিকে বনের ওপর এদের উড়তে দেখার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
  • এদের শনাক্ত করার সহজ উপায় হলো এদের কুচকুচে কালো রঙ এবং উড়ার সময় ডানার বিশেষ 'V' আকৃতি।
  • এদের ধীর গতির উড্ডয়ন এদের অন্যান্য ঈগল থেকে আলাদা করে চিনতে সাহায্য করে।

উপসংহার

কালো ঈগল প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। বনের বাস্তুসংস্থান নিয়ন্ত্রণে এই শিকারি পাখিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের উচিত এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা করা এবং এই রাজকীয় পাখিদের বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচানো।

বিতরণ মানচিত্র ও এলাকা

Official Distribution Data provided by
BirdLife International and Handbook of the Birds of the World (2025)

eagle পরিবারের আরও প্রজাতি দেখুন

Black Eagle সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)

The gujarati name for Black Eagle is શ્યામ ગરુડ.

The malayalam name for Black Eagle is കരിം പരുന്ത്.

The marathi name for Black Eagle is काळा गरुड.

The nepali name for Black Eagle is द्रोणक चील.

The tamil name for Black Eagle is கரும்பருந்து.

The telugu name for Black Eagle is అడవి నల్ల గద్ద.