glossy ibis

Plegadis falcinellus
  • Home
  • glossy ibis Details
iconAbout glossy ibis

Glossy Ibis সম্পর্কে মৌলিক তথ্য

Glossy Ibis সম্পর্কে মৌলিক তথ্য

Scientific NamePlegadis falcinellus
Status LC অসংকটাপন্ন
Size55-65 cm
Colors
Black
Brown

স্থানীয় ভাষায় নাম

malayalam: ചെമ്പൻ അരിവാൾക്കൊക്കൻ
marathi: मोर शराटी
nepali: सानो साँवरी
tamil: அன்றில்

ভূমিকা

খয়রা কাস্তেচরা (Glossy Ibis) হলো থ্রেসকিওরনিথিডি পরিবারের একটি অত্যন্ত পরিচিত জলচর পাখি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Plegadis falcinellus। এটি বিশ্বের অন্যতম বিস্তৃত ইবিস প্রজাতি, যা এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়।

শারীরিক চেহারা

এই পাখিটি মাঝারি আকারের এবং এর দৈর্ঘ্য সাধারণত ৫৫-৬৫ সেমি হয়ে থাকে। এদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এদের লম্বা, নিচের দিকে বাঁকানো কাস্তের মতো ঠোঁট। পূর্ণবয়স্ক পাখির গায়ের রঙ গাঢ় খয়রা বা তামাটে এবং ডানায় সবুজাভ বা বেগুনি রঙের একটি সুন্দর ধাতব আভা থাকে।

বাসস্থান

খয়রা কাস্তেচরা সাধারণত মিঠা পানির জলাভূমি, হ্রদ বা নদীর ধারের জলাশয় এবং প্লাবনভূমিতে বাস করে। এরা ঘন নলখাগড়া, প্যাপিরাস বা ঝোপঝাড়পূর্ণ এলাকা প্রজননের জন্য পছন্দ করে। তবে উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলে এদের খুব একটা দেখা যায় না। এরা অগভীর পানিতে খাবার খুঁজতে পছন্দ করে।

খাদ্যাভ্যাস

এদের খাদ্যতালিকায় মূলত বিভিন্ন ধরনের পতঙ্গ থাকে, যেমন: পানির বিটল, মাছি, ফড়িং, ঝিঁঝিঁ পোকা এবং মাকড়সা। এছাড়াও এরা ব্যাঙ, ব্যাঙাচি, টিকটিকি, ছোট সাপ, জোঁক, ছোট মাছ এবং শামুক খেয়ে থাকে। এরা কাদার ভেতরে ঠোঁট ঢুকিয়ে খাবার খুঁজে বের করে।

প্রজনন এবং বাসা

এরা সাধারণত কলোনি বা দলবদ্ধভাবে বাসা বাঁধে। জলাভূমির কাছাকাছি ঝোপঝাড় বা ছোট গাছে এরা বাসা তৈরি করে। প্রজনন ও বাসার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বাবা ও মা পাখি উভয়ই মিলে পালন করে।

আচরণ

খয়রা কাস্তেচরা একটি পরিযায়ী স্বভাবের পাখি। প্রজনন মৌসুম শেষ হলে এরা সাধারণত উষ্ণ অঞ্চলের দিকে চলে যায়। এরা দিনের বেলা অগভীর পানিতে হেঁটে খাবার সংগ্রহ করে এবং রাতে খাবারের জায়গা থেকে কিছুটা দূরে বড় কোনো গাছে বিশ্রাম নেয়।

সংরক্ষণ অবস্থা

বর্তমানে খয়রা কাস্তেচরা বিশ্বব্যাপী 'ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত' হিসেবে বিবেচিত। তবে জলাভূমি ভরাট, দূষণ এবং আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে স্থানীয়ভাবে এদের সংখ্যা কোথাও কোথাও কমে যাচ্ছে।

আকর্ষণীয় তথ্য

  1. এদের বৈজ্ঞানিক নাম গ্রিক এবং ল্যাটিন শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ 'কাস্তে', যা এদের ঠোঁটের আকৃতিকে নির্দেশ করে।
  2. এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত ইবিস প্রজাতি।
  3. ধারণা করা হয়, ১৯ শতকে এই পাখি আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ আমেরিকায় প্রাকৃতিকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
  4. ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে এদের পরিযায়ী হওয়ার পরিবর্তে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে দেখা যায়।

পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য টিপস

  • ভোরবেলা বা গোধূলির সময় জলাশয়ের ধারে এদের সক্রিয়ভাবে খাবার খুঁজতে দেখা যায়।
  • এদের শনাক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এদের কাস্তের মতো বাঁকানো ঠোঁট।
  • দূরবীণ ব্যবহার করে এদের পালকের চমৎকার ধাতব আভা লক্ষ্য করুন।

উপসংহার

খয়রা কাস্তেচরা আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জলাভূমির ভারসাম্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এদের সুন্দর উপস্থিতি এবং বিচিত্র জীবনযাত্রা প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করে। এই চমৎকার পাখিটি রক্ষায় আমাদের জলাভূমিগুলো সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।

বিতরণ মানচিত্র ও এলাকা

Official Distribution Data provided by
BirdLife International and Handbook of the Birds of the World (2025)

Glossy Ibis সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)

The malayalam name for Glossy Ibis is ചെമ്പൻ അരിവാൾക്കൊക്കൻ.

The marathi name for Glossy Ibis is मोर शराटी.

The nepali name for Glossy Ibis is सानो साँवरी.

The tamil name for Glossy Ibis is அன்றில்.