সাইকস নাইটজার (বৈজ্ঞানিক নাম: Caprimulgus mahrattensis) হলো নিশাচর পাখিদের পরিবারের একটি অনন্য সদস্য। এদের শান্ত স্বভাব এবং ছদ্মবেশ ধারণের ক্ষমতার কারণে এদের প্রকৃতিতে খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য। এই পাখিটি মূলত দক্ষিণ এশিয়ার শুষ্ক অঞ্চলে বসবাস করে।
Caprimulgus mahrattensis
| Scientific Name | Caprimulgus mahrattensis |
|---|---|
| Status | LC অসংকটাপন্ন |
| Size | 22-24 cm (9-9 inch) |
| Colors |
Sandy
White
|
| Type | Night Birds |
সাইকস নাইটজার (বৈজ্ঞানিক নাম: Caprimulgus mahrattensis) হলো নিশাচর পাখিদের পরিবারের একটি অনন্য সদস্য। এদের শান্ত স্বভাব এবং ছদ্মবেশ ধারণের ক্ষমতার কারণে এদের প্রকৃতিতে খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য। এই পাখিটি মূলত দক্ষিণ এশিয়ার শুষ্ক অঞ্চলে বসবাস করে।
সাইকস নাইটজার আকারে সাধারণত ২২-২৪ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। এদের পালকের মূল রঙ হলো বালু রঙের (Sandy), যা এদের মরুভূমি বা শুষ্ক পরিবেশে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করে। এছাড়াও এদের শরীরে সাদা রঙের কিছু চিহ্ন বা ছোপ দেখা যায়, যা এদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
এই পাখিটি মূলত শুষ্ক এবং আধা-মরুভূমি অঞ্চলে থাকতে পছন্দ করে। ঝোপঝাড়, কাঁটাগাছ এবং বালুকাময় ভূমি এদের পছন্দের আবাসস্থল।
নাইটজাররা পতঙ্গভুক পাখি। এরা মূলত রাতে উড়ন্ত পোকা-মাকড়, যেমন—মথ, গুবরে পোকা এবং অন্যান্য ছোট পতঙ্গ খেয়ে বেঁচে থাকে।
সাইকস নাইটজার কোনো আলাদা বাসা তৈরি করে না। এরা সাধারণত মাটির ওপর সরাসরি ডিম পাড়ে। ঝরা পাতা বা বালুর রঙের সাথে মিশে থাকায় এদের ডিম ও ছানারা শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পায়।
এরা মূলত নিশাচর। দিনের বেলা এরা মাটির ওপর বা গাছের ডালে স্থির হয়ে বসে থাকে। এদের শরীরের রঙের সাথে চারপাশের পরিবেশের মিল থাকায় এদের শনাক্ত করা খুবই কঠিন।
আইইউসিএন (IUCN) অনুযায়ী, সাইকস নাইটজার বর্তমানে 'স্বল্প উদ্বেগজনক' (Least Concern) হিসেবে তালিকাভুক্ত। তবে আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে এদের সংখ্যা কিছুটা হুমকির মুখে।
পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য পরামর্শ হলো, এই পাখিটি দেখতে হলে রাতে টর্চলাইট ব্যবহার করে ঝোপঝাড়ের আশেপাশে খুঁজতে হবে। এদের চোখের প্রতিফলন দেখে এদের অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব।
সাইকস নাইটজার প্রকৃতির এক অদ্ভুত এবং রহস্যময় সৃষ্টি। নিশাচর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই পাখির ভূমিকা অপরিসীম। আমাদের উচিত এদের আবাসস্থল রক্ষা করা যাতে এই সুন্দর পাখিরা প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারে।
Official Distribution Data provided by BirdLife International and Handbook of the Birds of the World (2025)